|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাই পরিবারে নতুন চার অতিথি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
১৬৩ পঠিত
গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাই পরিবারে নতুন চার অতিথি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
গাজীপুরের সাফারি পার্কে নীলগাই পরিবারে যুক্ত হয়েছে নতুন চার সদস্য। দেড় মাস আগে জন্ম নেওয়া শাবকগুলো এখন মায়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে বনের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই সন্তানদের আগলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যাচ্ছে মা নীলগাই। নতুন চার শাবকের জন্মে পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছ...
গাজীপুরের সাফারি পার্কে নীলগাই পরিবারে যুক্ত হয়েছে নতুন চার সদস্য। দেড় মাস আগে জন্ম নেওয়া শাবকগুলো এখন মায়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে বনের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই সন্তানদের আগলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যাচ্ছে মা নীলগাই। নতুন চার শাবকের জন্মে পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছে গাজীপুর সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান জানান, প্রায় দেড় মাস আগে পার্কের হরিণ সাফারিতে একটি মা নীলগাইয়ের সঙ্গে চারটি শাবককে বিচরণ করতে দেখা যায়। এরপর থেকেই শাবকগুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তাদের দেখভালের জন্য সার্বক্ষণিক একজন কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, শাবকগুলোর বয়স বর্তমানে দেড় মাসের মতো। তবে এগুলো পুরুষ না মাদী, তা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শাবক ও মা নীলগাইয়ের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কাছাকাছি গিয়ে লিঙ্গ নির্ধারণের চেষ্টা করছে না কর্তৃপক্ষ। পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন সময়ে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার করা নীলগাই গাজীপুর সাফারি পার্কে আনা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে পার্কে বেশ কয়েকটি শাবকের জন্ম হয়। সবশেষ পার্কে ১১টি নীলগাই ছিল। এর মধ্যে দুটি কক্সবাজারের ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে পাঠানো হয়েছে। নতুন চার শাবকসহ বর্তমানে গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে। প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, একসময় বাংলাদেশের প্রকৃতিতেই বিচরণ করত নীলগাই। শত বছর আগে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ প্রাণীর দেখা মিলত। তবে পরিবেশগত বিপর্যয় ও আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর বাংলাদেশের বনাঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশে নীলগাইয়ের অস্তিত্ব আর পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে দেশ থেকে প্রাণীটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। অ্যান্টিলোপ প্রজাতির মধ্যে নীলগাই সবচেয়ে বড়। পুরুষ নীলগাইয়ের মাথায় শিং থাকে এবং গায়ের রং কিছুটা কালচে। অন্যদিকে স্ত্রী নীলগাইয়ের শিং থাকে না, গায়ের রং হয় বাদামি। স্ত্রী নীলগাই সাধারণত দুই বছর বয়সে প্রজননক্ষম হয়। পুরুষ নীলগাইয়ের ক্ষেত্রে এ সময় লাগে প্রায় পাঁচ বছর। এরা একবারে একটি থেকে তিনটি পর্যন্ত শাবকের জন্ম দিতে পারে। শাবক জন্মের পর তাদের নিরাপত্তা ও পরিচর্যার পুরো দায়িত্ব পালন করে মা নীলগাই।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স