|
| |
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

যাত্রীসেবা আধুনিকায়নে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ইউএস-বাংলা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
৩৮৪ পঠিত
যাত্রীসেবা আধুনিকায়নে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ইউএস-বাংলা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা এবং গ্রাউন্ড অপারেশনের সক্ষমতা বাড়াতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এ খাতে প্রায় ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে বেসরকারি এয়ারলাইন্সটি। এরই মধ্যে ১২ মিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদ্...
যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা এবং গ্রাউন্ড অপারেশনের সক্ষমতা বাড়াতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এ খাতে প্রায় ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে বেসরকারি এয়ারলাইন্সটি। এরই মধ্যে ১২ মিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদ্যমান ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্টের সঙ্গে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে যুক্ত হবে আরও ১৪৬টি নতুন সরঞ্জাম। পাশাপাশি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিচালিত হবে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল। প্রতিষ্ঠার এক যুগ অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে ইউএস-বাংলা। বর্তমানে এয়ারলাইন্সটির বহরে রয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২১টি বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে এর সঙ্গে আরও প্রায় ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এয়ারলাইন্সটির উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রাউন্ড সার্ভিস সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট রয়েছে। নতুন করে যুক্ত হতে যাওয়া ১৪৬টি সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে উড়োজাহাজ ঠেলা ও টানার ট্রাক্টর, ব্যাগেজ বেল্ট লোডার, ব্যাগেজ ট্রাক্টর, যাত্রী ওঠানামার সিঁড়ি, গ্রাউন্ড পাওয়ার ইউনিট, এয়ার স্টার্ট ইউনিট, ক্যাটারিং ট্রাক, পানি সরবরাহ ও বর্জ্য অপসারণের যানসহ বিভিন্ন ধরনের র‍্যাম্প সাপোর্ট সরঞ্জাম। ইউএস-বাংলার মতে, একটি ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা ও দক্ষ পরিচালনা শুধু উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করে না। আধুনিক গ্রাউন্ড ইকুইপমেন্ট, দক্ষ জনবল এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনাও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও সিলেটে আঞ্চলিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও প্রয়োজনীয় গ্রাউন্ড সাপোর্ট সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব বিমানবন্দর পরিচালনায়ও গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সরকারের ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্প উন্নয়ন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় চার্জিং অবকাঠামো স্থাপনের কাজ চলছে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আধুনিক বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে গ্রাউন্ড অপারেশনে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। উত্তর আমেরিকার নিউইয়র্কের জেএফকে, লস অ্যাঞ্জেলেস, টরন্টো পিয়ারসন; ইউরোপের আমস্টারডাম, ফ্রাঙ্কফুর্ট, লন্ডন হিথ্রো; মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, দোহা ও আবুধাবি; পূর্ব এশিয়ার টোকিও নারিতা, হংকং ও সিউলসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে এ ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রয়োজনীয় চার্জিং অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে বিমানবন্দরের বিভিন্ন গ্রাউন্ড অপারেশনে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং পরিবেশবান্ধব গ্রাউন্ড অপারেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ, বিমানবন্দর আধুনিকায়ন, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এসব উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় করে বেসরকারি বিনিয়োগ ও সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স