|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি  

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
১৬৫ পঠিত
চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি  
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
নরসিংদীর শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে নবী হোসেন নামে এক পণ্য পরিবহন ব্যবসায়ীকে গুলি ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর কারারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  আহত নবী হোসেন উত্তর কারারচর গ্রামের ফজর রহমানের ছেলে। তিনি পিকআপভ্যানে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা করেন।...

নরসিংদীর শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে নবী হোসেন নামে এক পণ্য পরিবহন ব্যবসায়ীকে গুলি ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর কারারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

আহত নবী হোসেন উত্তর কারারচর গ্রামের ফজর রহমানের ছেলে। তিনি পিকআপভ্যানে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় সন্ত্রাসী সানিসহ ৬-৭ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী নবী হোসেনের বাড়ি গিয়ে তার ছোট ভাই মনির হোসেনকে খুঁজতে থাকে। এ সময় মনিরকে খুঁজে না পেয়ে সন্ত্রাসীরা ভাই নবী হোসেনের উপর চড়াও হয় এবং একপর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে গুরুতর আহত করে। এ সময় তাকে বাঁচাতে এলে নবী হোসেনর স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়ে সোহাগি আক্তারও তাদের হাতে আহত হন। আশপাশের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেন। সেখানে নবী হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়।

নবী হোসেনের স্ত্রী সোহাগি আক্তার জানান, সানি, নয়ন রব্বির নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা গুলি করতে করতে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করে আমার দেবর মনিরকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে আমার স্বামীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। আমার স্বামী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা আমার স্বামীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ও পেটে গুলি করে গুরুতর আহত করে।

এ সময় আমি ও আমার মেয়ে দৌড়ে গেলে তারা আমাদের উপরও হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসতে থাকলে তারা হুমকি দিয়ে চলে যায়। 

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা মেডিকের কলেজ হাসপাতালে ডাক্তাররা আমার স্বামীর শরীর থেকে একটি গুলি বের করেছে এবং তিনি বর্তমানে হাসপাতালে আছে। আমার স্বামীর ওপর হামলাকারীদের বিচার চাই।’

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া, পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। তারা উভয় পক্ষই দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ। তারা মারামারি করে ঢাকাতে ভর্তি আছে। এদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে বলে আমরা সংবাদ পেয়েছি। তবে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: কালবেলা