|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্বের সমাধান ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে: শুভেন্দু অধিকারী

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
১৯৮ পঠিত
পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্বের সমাধান ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে: শুভেন্দু অধিকারী
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় যোগ্য সব আবেদনকারীর নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হবে। আজ শনিবার নদীয়া জেলায় একটি কালীপূজা প্যান্ডেলের উদ্বোধনে গিয়ে এই ঘোষণা দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সিএএ বাস্তবায়নে সহযোগিতা না করায় প্রায় আড়াই লাখ আবেদন এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

বিজেপির অভিযোগ, সীমান্তবর্তী নদীয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় কথিত বাংলাদেশ থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষের বসবাস রয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কেবল এই দুটি জেলাতেই প্রায় আড়াই লাখ আবেদন বিবেচনাধীন। তবে কোনো যোগ্য আবেদনকারী নাগরিকত্ব থেকে বাদ পড়বেন না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তাঁদের হাতে নাগরিকত্ব সনদ তুলে দেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ লক্ষ্যে তাঁর প্রশাসন ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকদের (ডিএম) প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মহকুমা শাসকেরা (এসডিও) মাঠপর্যায়ে সব আবেদন যাচাই এবং এ–সংক্রান্ত গণশুনানি তদারক করবেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ভারতের পার্লামেন্টে সিএএ বিল পাস হয়। এতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিষ্টানদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিধান রাখা হলেও মুসলিমদের রাখা হয়নি। এ আইন পাসের পর পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক বিক্ষোভ, সড়ক ও রেলপথ অবরোধ এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল।

পরে ২০২৪ সালের ৬ মার্চ কেন্দ্র সরকার এ আইনের বিধিমালা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর করে। বিশেষ করে নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে এই নাগরিকত্বের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

২০২৬ সালের জুন মাসে বর্তমান প্রশাসন সিএএবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনাগুলো আবার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং এ জন্য পুলিশের একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো