|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সিরিয়া

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
৪০৬ পঠিত
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সিরিয়া
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সিরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি শনিবার (৩১ অক্টোবর) বাহরাইনে অনুষ্ঠিত মানামা সংলাপ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। খবর আল জাজিরার। তিনি বলেন, ‘মক্কা জোটে সিরিয়ার অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মূল্যায়নে বর্তমানে...

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সিরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি শনিবার (৩১ অক্টোবর) বাহরাইনে অনুষ্ঠিত মানামা সংলাপ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

তিনি বলেন, ‘মক্কা জোটে সিরিয়ার অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মূল্যায়নে বর্তমানে আলোচনা চলছে।’

বাহরাইনের সম্মেলনে শাইবানি বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ সিরিয়া। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় নেওয়া যেকোনো উদ্যোগকে সমর্থন করবে দামেস্ক। তার মতে, যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা এখন এ অঞ্চলে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে দামেস্ক। ইয়েমেনের পুরো ভূখণ্ডে সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে সিরিয়া। পাশাপাশি সব পক্ষকে রাষ্ট্রগুলোর ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন শাইবানি।

সম্মেলনে সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। শাইবানি বলেন, দুই বছরেরও কম সময়ে সিরিয়ায় এক হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রতিদিন সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, অথচ একই সময়ে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং অস্ত্র কেবল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান কীভাবে যৌক্তিক হতে পারে?’

গত আগস্টে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে বাকি দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের ৩০টি দেশের সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে এ চুক্তির তুলনা করা হচ্ছে।

ইয়েমেনের হুতিদের হামলার মুখে থাকা সৌদি আরব সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম প্রধান সমর্থক। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর ক্ষমতায় আসে বর্তমান সরকার।

মক্কা চুক্তির আওতায় ইরান-সমর্থিত হুতিদের ক্রমবর্ধমান হামলার মুখে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। তবে ইসলামাবাদ বা আঙ্কারা কেউই এখন পর্যন্ত হুতিদের বিরুদ্ধে কোনো হামলার ঘোষণা দেয়নি।

তুরস্কে চুক্তিটির অনুমোদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়া হলেও ইয়েমেনে তুর্কি সেনা মোতায়েন বা হুতিদের ওপর হামলা চালানোর বিষয়টি এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।

সূত্র : আলজাজিরা

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স