|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বৃদ্ধি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
১৭৬ পঠিত
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বৃদ্ধি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির সমন্বিত আয়ে উন্নতি হয়েছে। এর মাধ্যমে টানা সাত প্রান্তিক ধরে ইতিবাচক আয়ের ধারা বজায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে ঋণ, লিজ ও বিনিয়োগের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের বিপরীতে সতর্কতামূলক প্রভিশন সংরক্ষণের কারণে উল্লেখযোগ্য লোকসানের সম্মুখীন হওয়ার পরও এ অগ্...

২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির সমন্বিত আয়ে উন্নতি হয়েছে। এর মাধ্যমে টানা সাত প্রান্তিক ধরে ইতিবাচক আয়ের ধারা বজায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে ঋণ, লিজ ও বিনিয়োগের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের বিপরীতে সতর্কতামূলক প্রভিশন সংরক্ষণের কারণে উল্লেখযোগ্য লোকসানের সম্মুখীন হওয়ার পরও এ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত সমন্বিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদিত হয়।

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৬০ টাকায়, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল শূন্য দশমিক ৫৭ টাকা। তবে ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৩৭ টাকা, যেখানে আগের বছরের একই প্রান্তিকে এ পরিমাণ ছিল ০৪৫ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির আয়ের ধারাবাহিক ইতিবাচক পারফরম্যান্সের পেছনে রয়েছে ঋণ আদায় ও পুনরুদ্ধারে অব্যাহত প্রচেষ্টা, বিচক্ষণ প্রভিশন ব্যবস্থাপনা এবং তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, লিজ ও বিনিয়োগের বিপরীতে সতর্কতামূলক প্রভিশন সংরক্ষণের নীতি গ্রহণ করে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য লোকসান হয়। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ধীরে ধীরে আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ঋণাত্মক ২৮দশমিক৪৭ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ছিল ঋণাত্মক ২৯ দশমিক ০৭ টাকা। এ উন্নতি সঞ্চিত আর্থিক চাপ মোকাবিলা এবং কোম্পানির নিট সম্পদের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ক্রমাগত অগ্রগতির ইঙ্গিত বহন করে।

সম্পদের গুণগত মান উন্নয়ন, আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স কৌশলগত পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বাস্তবায়ন, ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার এবং পরিচালনাগত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। আর্থিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার, মূলধন পর্যাপ্ততা বৃদ্ধি এবং কার্যক্রমের স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসিদশমিক টেকসই পুনরুদ্ধার, আর্থিক শৃঙ্খলা ও পরিচালনাগত দক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে শেয়ারহোল্ডার, গ্রাহক এবং অন্যান্য অংশীজনের আস্থা সুদৃঢ় করা ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স