|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০০ কোটি টাকায় তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
২৪৭ পঠিত
সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০০ কোটি টাকায় তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:

রাজধানীর ধানমন্ডির জিগাতলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০০ কোটি টাকা খরচ করে আরও তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন বানাবে সরকার। ১৩ তলাবিশিষ্ট এসব ভবনে মোট ১৮৪টি ফ্ল্যাট থাকবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৮৫০ বর্গফুট। ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সুবিধার জন্য প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উন্নত ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। এসব প্রকল্পের মোট খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবাসন ভবন নির্মাণের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে গণপূর্ত অধিদপ্তর। এসব ভবন তৈরিতে অর্থ দেবে সরকার। প্রকল্পের জন্য জিগাতলায় প্রায় ২ দশমিক ৪৪ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জিগাতলা সরকারি কলোনির ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ভবন ভেঙে নতুন তিনটি বহুতল ভবন তৈরি করা হবে। এর মধ্যে পুরোনো চারটি ভবন অপসারণের অনুমোদন দিয়েছে ভবন কনডেমনেশন কমিটি।

এদিকে বিগত সরকারের সময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বেশ কিছু আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনের কাঠের কারখানা এলাকায় পাঁচটি বহুতল ভবন, শিয়ালবাড়ি এলাকায় ছয়টি ভবন। এই দুই এলাকার ১১টি ভবনের প্রতিটি ১৪ তলা। এ ছাড়া নোয়াখালী ও নারায়ণগঞ্জে নির্মাণ করা হয় ১৫টি বহুতল ভবন।

জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, আবাসনসংকট বা ঘাটতি আছে। তবে ভবন যদি ব্যবহার না হয় বা ঠিকমতো বরাদ্দ না হয়, সেটার কারণ খুঁজে দেখা দরকার। কেন ভবন তৈরি হয় আর খালি পড়ে থাকে—সেই সমস্যার সমাধান আগে করা প্রয়োজন। তারপর নতুন করে প্রকল্প নেওয়া উচিত।

নতুন তিনটি ভবন নির্মাণ ছাড়াও আজকের একনেক সভায় মোট ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৫০ হাজার ৪১ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৭৩ কোটি টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন ১১টি এবং সংশোধিত দুটি।

সূত্র: প্রথম আলো