|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

 সুরের জগতে এআইয়ের ঢেউ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ এএম
১৬৫ পঠিত
 সুরের জগতে এআইয়ের ঢেউ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
রাত নয়টায় কলেজছাত্র শাকিল (ছদ্মনাম) একটা মিষ্টি গান শুনে মুগ্ধ হয়ে শিল্পীর নাম খুঁজতে লাগলেন। পরে জানলেন, এই নামের কোনো শিল্পী নেই।

২০২৬ সালের জুন। ফ্রান্সের স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিজার জানাল, প্রতিদিন যত নতুন গান আপলোড হচ্ছে, তার অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৯০ হাজার, সম্পূর্ণ এআই-নির্মিত! সত্যিই কি যন্ত্র এখন গান বানায়? এককথায় উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ।

রাত নয়টায় কলেজছাত্র শাকিল (ছদ্মনাম) একটা মিষ্টি গান শুনে মুগ্ধ হয়ে শিল্পীর নাম খুঁজতে লাগলেন। পরে জানলেন, এই নামের কোনো শিল্পী নেই। এ কাজ করে জেনারেটিভ এআই বা লেখা থেকে গান তৈরির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। শুধু একটা বর্ণনা দিলেই মিনিটের মধ্যে গান তৈরি হয়ে যায়, সুরও, কণ্ঠও যেকোনো জনরার। কয়েক বছর আগেও এটা ছিল কল্পনার বাইরে!

ঝুঁকিটা কোথায়?

ডিজারের দাবি, এআই-গানের ৮৫ শতাংশ স্ট্রিম প্রতারণামূলক। অর্থাৎ বট দিয়ে শোনার সংখ্যা বাড়িয়ে রয়্যালটির টাকা হাতানো হয়, আর আসল শিল্পীদের আয় ভাগ হয়ে যায়। তাই প্রকৃত শিল্পীদের অধিকার সংরক্ষণে কিছু প্ল্যাটফর্ম এআই–গানে ট্যাগ বসাচ্ছে, সুপারিশ থেকে বাদ দিচ্ছে, কেউ কেউ নিষিদ্ধও করেছে।

আপনি যা করতে পারেন—

১.  গানের ট্যাগ বা লেবেল খেয়াল করুন, আর অচেনা শিল্পীর গান শোনার আগে একটু খোঁজ নিন।

২.  প্রিয় শিল্পীকে সরাসরি সমর্থন করুন, যেমন তাঁদের অফিশিয়াল চ্যানেলে শুনে বা কনসার্টে গিয়ে।

৩.  কেউ এআইয়ের সাহায্য নিলে তা খোলাখুলি জানানোর পক্ষে কথা বলুন।

● লেখক: টেক ব্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর

সূত্র: প্রথম আলো