|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

কৃষিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী 

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
২০১ পঠিত
কৃষিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী 
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কৃষিপণ্য আর আমদানি করতে হবে না, বরং কৃষিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য; এমন লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের টমেটো ও আম বাগান পরিদর্শনে এসে এক মতবিনিময় সভা...

কৃষিপণ্য আর আমদানি করতে হবে না, বরং কৃষিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য; এমন লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের টমেটো ও আম বাগান পরিদর্শনে এসে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। 

কৃষি খাতের উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষিকে স্বাবলম্বী করতে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে উপরিভাগের পানি ব্যবহার করে সেচব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। তাদের উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও কৃষির উন্নয়নে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, রাজশাহীসহ বৃহত্তর উত্তরবঙ্গ কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অঞ্চল। বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য হতে পারে। জাপান, চীন ও ইউরোপের বাজারে আম রপ্তানির জন্য নির্দিষ্ট মান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এ জন্য বিশেষ ধরনের যন্ত্রের প্রয়োজন। ওই যন্ত্রের মাধ্যমে আম শোধন করে জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব। সরকার সেই যন্ত্রের ব্যবস্থা করেছে। আগামী আম মৌসুমে আম পাকার আগেই এটি চালু করা হবে। ফলে আম রপ্তানির ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণের সমস্যা থাকবে না।

কৃষকদের আয় বাড়াতে আমবাগানের ফাঁকা জায়গায় ছায়ার মধ্যে আদা চাষ এবং বর্ষা মৌসুমে টমেটোসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারা বছর কৃষিপণ্য উৎপাদন করা গেলে কৃষক লাভবান হবেন। এ জন্য যারা এসব পদ্ধতিতে চাষাবাদ করবেন, তাদের উৎসাহিত করা হবে।

সারের সংকটের আশঙ্কা নাকচ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। গত বছর এ সময়ে সরকারি গুদামে ১০ লাখ টন সার মজুত ছিল। এবার রয়েছে সাড়ে ১৩ লাখ টন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত বছরের তুলনায় এবার ৫০ গুণ বেশি সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের সুবিধার জন্য নতুন সার ডিলারও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষক যেন সহজে সার পান, তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। কোনো সার ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে জানাতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুর রহিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: কালবেলা