|
| |
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

গার্মেন্টসে অস্থিরতায় অর্থায়নের অভিযোগে জড়িত কারা, তালিকায় যেসব নাম

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
২৩০ পঠিত
গার্মেন্টসে অস্থিরতায় অর্থায়নের অভিযোগে জড়িত কারা, তালিকায় যেসব নাম
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলনে ইন্ধন ও অর্থায়নের অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ ও তলবের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ তালিকায় রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও তৈরি পোশাক খাতের একাধিক উদ্যোক্তা। তাদের মধ্যে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের ম...
তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলনে ইন্ধন ও অর্থায়নের অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ ও তলবের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ তালিকায় রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও তৈরি পোশাক খাতের একাধিক উদ্যোক্তা। তাদের মধ্যে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সাবেক সংসদ সদস্য ও এনভয় গ্রুপের মালিক আবদুস সালাম মুর্শেদী এবং বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এসএম মান্নান কচিসহ আরও অনেকে। এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ও আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং লেনদেনের তথ্য তলবের নির্দেশনা দিয়েছে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত মঙ্গলবার এনবিআরের এক অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চেয়ারম্যান আহসান হাবিব কিছু ব্যক্তি ও পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, বিশেষ একটি কারণে সিআইসি ও আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ ৩৪ ব্যক্তি ও ৩৪ পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দ করছে। তবে প্রাথমিক তালিকার বাইরে আরও ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম যুক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা দুই শতাধিক হয়েছে। তবে ব্যক্তি ব্যাংক হিসাব জব্দ করলেও ব্যবসার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের তথ্য চেয়েছে এনবিআরের দুটি গোয়েন্দা সংস্থা। তালিকায় যেসব সাবেক মন্ত্রী-এমপি ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় রয়েছেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। এছাড়া রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও এনভয় গ্রুপের মালিক আবদুস সালাম মুর্শেদী। তালিকায় আরও রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ এবং শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর আলম। তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। তৈরি পোশাক খাতের যেসব ব্যবসায়ী রয়েছেন তালিকায় পোশাক খাতের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ওয়েল গ্রুপের আবদুস সালাম, নিপা গ্রুপের খসরু চৌধুরী, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের একেএম মোশাররফ হোসেন এবং তুসুকা গ্রুপের ফয়জুর রহমান। এছাড়া মণ্ডল গ্রুপের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এবং তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি এসএম মান্নান কচি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামও রয়েছে তালিকায়। তালিকায় আরও যেসব নাম ওয়েল গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছেন নাসরিন আক্তার, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সৈয়দ সহিদুল ইসলাম, সৈয়দ তৌফিকুল ইসলাম, জান্নাতুল ইসলাম, আফরোজা বেগম ও ডা. নাসরিন আফরোজ। তুসুকা গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছেন ফিরোজ আলম, রেফায়েত উল্লাহ খান, মো. শফিকুল ইসলাম, ইকবাল কবির, আরশাদ জামাল, ইকরামুল হক, মো. আতিকুজ্জামান সাগর ও আতিকুজ্জামান রিপন। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন আব্দুল আলিম মণ্ডল, মো. জুবায়ের মণ্ডল, তারিন তাসলিমা, সুলতানা খাতুন, মাসুদা খাতুন, হাজী আব্দুল মান্নান মণ্ডল, মোমেনা খাতুন, আব্দুল মমিন মণ্ডল, মাহমুদুল হাসান, জান্নাতুল ফেরদৌস, আসাদুর রহমান শিকদার, গোলাম ফারুক তালুকদার, মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন, সুরভী রহমান, শিরিন ইসলাম, তাসলিমা আক্তার, খন্দকার ফারুক কায়সার ও নাহিদ খন্দকার। তালিকায় আরও রয়েছেন হাজী আব্দুল মজিদ মণ্ডল, খতিব আব্দুল হাদী, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্সের হোসনে আরা বেগম, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান, মাহমুদা বেগম, ইঞ্জিনিয়ার মোসারফ হোসেন, তাসমিয়া রহমান, হাসনাত মোশারফ ও ফারিয়া রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, পোশাক খাতের চলমান অস্থিরতার পেছনে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের ইন্ধন রয়েছে। এ কাজে কিছু শিল্পমালিকও জড়িত বলে সরকারের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে জানান তিনি।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স