|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
৩৯৩ পঠিত
বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কিশোরগঞ্জে সরকারের কাছ থেকে খাস বন্দোবস্ত নেওয়া এক জলমহালে বিষ প্রয়োগ করে ৪০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে বিলের পানিতে মরা মাছ ভেসে উঠতে দেখেন ইজরাদার মো. আতাউর রহমান ছালেক। বৃহস্পতিবার রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর ইউনিয়নের ফালিয়া বিল জলমহালে বিষ দেওয়া হয় বলে জানা...

কিশোরগঞ্জে সরকারের কাছ থেকে খাস বন্দোবস্ত নেওয়া এক জলমহালে বিষ প্রয়োগ করে ৪০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে বিলের পানিতে মরা মাছ ভেসে উঠতে দেখেন ইজরাদার মো. আতাউর রহমান ছালেক। বৃহস্পতিবার রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর ইউনিয়নের ফালিয়া বিল জলমহালে বিষ দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

ইজারাদার বলেন, প্রতিবছর ৩১ চৈত্র এই জলমহালটি সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া হয়। এ বছর মৎস্যজীবী সমিতিগুলো কম রাজস্ব প্রস্তাব করায় সরকার ইজারা দেয়নি। পরে আষাঢ় মাসের দিকে সরকারের তহবিলে ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা রাজস্ব জমা দিয়ে ১০ মাসের জন্য আমি এই জলমহাল বন্দোবস্ত আনি। কম সময় পাওয়ায় বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় পোনা এনে এখানে ছেড়েছিলাম। এই মাছগুলো পাঁচ মাসের যত্নে বিক্রির উপযোগী হয়। 

ছালেক দাবি করেন, ৪-৫ দিন পর মাছ ধরার কথা ছিল। এজন্যে মাছগুলো মূল বিল থেকে অন্যপাশের জলাশয়ে (দাইড়ে) এনে জড়ো করা হয়েছিল। আর ওই জায়গাতেই বিষ দিয়েছে কে বা কারা।

তিনি বলেন, ৮০ একর জমির এই বিল (জলমহাল) বন্দোবস্ত নিয়ে এতে আরও ১৫ লাখ টাকা খরচ করা হয়। আশা ছিল এখানে অন্তত কোটি টাকার মাছ পাওয়া যাবে। এই বিলে আমার সঙ্গে এলাকার ১৭-১৮ জন যুবক মাছ চাষে জড়িত। প্রকল্পে আইর, কাতল, মৃগেল, সরপুঁটি, গ্রাসকার্প, মিরর কার্প, রুই, চিংড়ি ও তারাবাইনসহ বিভিন্ন প্রজাতি মাছ ছিল। এছাড়াও প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া চাপিলাসহ দেশি প্রজাতির অনেক মাছ ছিল। এ পর্যন্ত মাত্র ১০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।

আতাউর রহমান দাবি করেন, দুর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করায় বেশিরভাগ মাছ ভেসে ওঠেছে। এতে তাদের ৩৫-৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। 

করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে মুসলিমা বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। বিষ প্রয়োগের খবর পেয়ে আমরা প্রশাসন থেকে লোকজন পাঠিয়েছি। তারা পরিদর্শন করে এসেছে। আমি ক্ষতিগ্রস্তদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। 

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শোয়েব খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স