|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ফিলিপাইন ভ্রমণে প্রকৃতির সৌন্দর্যের সঙ্গে মিলবে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম
৪২৩ পঠিত
ফিলিপাইন ভ্রমণে প্রকৃতির সৌন্দর্যের সঙ্গে মিলবে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাত হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশ ফিলিপাইন। সাদা বালুর সমুদ্রসৈকত, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন, আগ্নেয়গিরি, ঝরনা আর বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য দেশটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। রাজধানী ম্যানিলার বাইরে দেশটিতে রয়েছে এমন অনেক জায়গা, যেখানে প্রকৃতি, স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ এ...

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাত হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশ ফিলিপাইন। সাদা বালুর সমুদ্রসৈকত, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন, আগ্নেয়গিরি, ঝরনা আর বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য দেশটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। রাজধানী ম্যানিলার বাইরে দেশটিতে রয়েছে এমন অনেক জায়গা, যেখানে প্রকৃতি, স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ একসঙ্গে উপভোগ করা যায়।

সম্প্রতি লন্ডনে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল মার্কেটে ইউরো নিউজ ট্রাভেলের সঙ্গে আলাপকালে ফিলিপাইনের ট্যুরিজম প্রমোশনস বোর্ডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মার্গা নোগ্রালেস দেশটির কয়েকটি আকর্ষণীয় গন্তব্যের কথা তুলে ধরেন। তার মতে, বছরের যেকোনো সময়ই পর্যটকদের জন্য ফিলিপাইনে রয়েছে ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা।

ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত দেশটির ৪টি গন্তব্যে তিমি দেখার সুযোগ রয়েছে। এ সময় দ্বীপ ভ্রমণ ও সমুদ্রসৈকতে সময় কাটানোর জন্যও আবহাওয়া অনুকূল থাকে। অন্যদিকে সার্ফিং ও জলক্রীড়ার জন্য সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সিয়রগাও দ্বীপ ভ্রমণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এ সময় ঢেউ প্রায় ৯ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। সেখানে সার্ফিংয়ের পাশাপাশি ক্যানিয়নিয়ারিং ও সার্ডিন রান দেখার সুযোগও রয়েছে।

ম্যানিলার বাইরে সিকুইজর দ্বীপকে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন নোগ্রালেস। সাদা বালুর সৈকত, স্বচ্ছ পানি, ঝরনা ও স্থানীয় ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত দ্বীপটিতে কায়াকিং, ট্রেকিং ও স্নরকেলিং করা যায়। এ ছাড়া পাম্পাঙ্গা প্রদেশের ক্লার্কে রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস, খাবারের বৈচিত্র্য ও অবকাশযাপনের সুযোগ।

প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য ক্যামিগুইন দ্বীপও আকর্ষণীয়। ১৪টি আগ্নেয়গিরির আবাস এই দ্বীপটি নিউইয়র্ক টাইমসের ২০২৬ সালের ভ্রমণ উপযোগী ৫২টি স্থানের তালিকায় স্থান পেয়েছে। আগ্নেয়গিরির ভূপ্রকৃতি, ঝরনা ও প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ।

খাবারের জন্য ইলোইলো সিটির বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। ২০২৩ সালে ইউনেসকো শহরটিকে ‘ক্রিয়েটিভ সিটি অব গ্যাস্ট্রোনমি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। শহরটিতে রয়েছে ৩০০টির বেশি রেস্তোরাঁ। ২০২১ সাল থেকে সেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘তিমপ্লাদা’ নামের আয়োজন, যেখানে স্থানীয় খাবার ও রন্ধন ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়।

এ অঞ্চলের কারবিন রিফেও পর্যটকদের যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বালুচরের মতো দেখতে এই স্থানে স্থানীয় সামুদ্রিক খাবার ‘কিনিলাও’ চেখে দেখার সুযোগ রয়েছে। কাঁচা মাছ ভিনেগারে মেরিনেট করে ছোট টুকরো করা হয়। পরে এর সঙ্গে টমেটো, লাল পেঁয়াজ, আদা ও লেবুর খোসা মিশিয়ে পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী এই খাবার।

অন্যদিকে বেকোলড এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম আন্তর্জাতিক স্লো ফুড হাব হিসেবে পরিচিত। সেখানে স্থানীয় উপকরণে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে পারেন পর্যটকেরা।

এ ছাড়া ফিলিপাইনে প্রতিবছর ৪০ হাজারের বেশি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সেবুর সিনুলগ উৎসব ধর্মীয় ঐতিহ্য, দাভাওয়ের কাদায়াওয়ান উৎসব ফসলের সমৃদ্ধি এবং পানাগবেঙ্গা উৎসব ফুলের সৌন্দর্য উদ্‌যাপনের জন্য বিখ্যাত।
  
সূত্র: ইউরো নিউজ

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স