|
| |
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

কোনো বিষয়ে কসম করে তা রাখতে না পারলে করণীয়

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
২৩৫ পঠিত
কোনো বিষয়ে কসম করে তা রাখতে না পারলে করণীয়
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
রাগ, অভিমান কিংবা আবেগের বশে অনেক সময় মানুষ কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়ে কসম করে বসেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি বদলে গেলে সেই কসম রক্ষা করা সম্ভব হয় না। কখনো প্রিয়জনের অনুরোধে, আবার কখনো নিজের প্রয়োজনেই কসম ভাঙতে হয়। এ অবস্থায় কসম ভঙ্গের বিধান কী এবং এর জন্য কী করতে হবে, তা জানা জরুরি। মানুষে...

রাগ, অভিমান কিংবা আবেগের বশে অনেক সময় মানুষ কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়ে কসম করে বসেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি বদলে গেলে সেই কসম রক্ষা করা সম্ভব হয় না। কখনো প্রিয়জনের অনুরোধে, আবার কখনো নিজের প্রয়োজনেই কসম ভাঙতে হয়। এ অবস্থায় কসম ভঙ্গের বিধান কী এবং এর জন্য কী করতে হবে, তা জানা জরুরি।

মানুষের রাগ ও অভিমান স্বাভাবিক আবেগ। তবে এসব আবেগের বশবর্তী হয়ে কসম করার পর তা রক্ষা করতে না পারলে ইসলামে এর জন্য কাফফারা আদায়ের বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তোমাদের তোমাদের নিরর্থক শপথের জন্য পাকড়াও করবেন না। কিন্তু তোমরা যে শপথ পরিপক্বভাবে করে থাকো, সেজন্য তিনি তোমাদের পাকড়াও করবেন। সুতরাং তার কাফফারা হলো, দশজন মিসকিনকে মধ্যম ধরনের খাবার দেবে, যা তোমরা তোমাদের পরিবারবর্গকে খাইয়ে থাকো। অথবা তাদের বস্ত্র দান করবে কিংবা একজন গোলাম আজাদ করবে। তবে কারও কাছে যদি (এসব জিনিসের মধ্য হতে কিছুই) না থাকে, সে তিন দিন রোজা রাখবে। এটা তোমাদের শপথের কাফফারা যখন তোমরা শপথ করবে (এবং তারপর তা ভেঙে ফেলবে)। তোমরা নিজেদের শপথকে রক্ষা করো। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের সামনে নিজ আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা আদায় করো।’ (সুরা মায়িদা: ৮৯)

এ আয়াতের আলোকে কসম ভঙ্গের কাফফারা সম্পর্কে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ কালবেলাকে বলেন, কসম রক্ষা করতে না পেরে ভেঙে ফেলার কারণে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। আর এর কাফফারা হলো, দশজন মিসকিনকে পেট ভরে দুবেলা খাবার খাওয়ানো অথবা প্রত্যেককে এক জোড়া করে কাপড় দেওয়া। এ দুটির কোনোটি সম্ভব না হলে টানা তিন দিন রোজা রাখতে হবে।

এদিকে রাগ নিয়ন্ত্রণ করাও অত্যন্ত জরুরি। কারণ, রাগের বশে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত অনেক সময় মানুষকে বিপদে ফেলতে পারে, যা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রকৃত বীর সেই ব্যক্তি, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (বোখারি: ৫৭৬৩, মুসলিম: ২৬০৯)

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স